Thursday, January 24, 2019 10:04 am
Spread the love

নতুন কাঠামো অনুযায়ী প্রাপ্য বেতন-ভাতার দাবিতে রাজধানীর উত্তরা এলাকার সড়ক অবরোধ তুলে নিয়েছেন শ্রমিকরা। দুপুর আড়াইটার দিকে তারা রাস্তা ছেড়ে দেন।

সরকার ঘোষিত ন্যূনতম মজুরি বাস্তবায়নসহ বেশ কিছু দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো আজকেও রাজধানী এবং আশপাশের জেলায় বিক্ষোভ করেছে পোশাক শ্রমিকরা।

সোমবার সকালে উত্তরার পরিবর্তে গাজীপুরের সড়ক অবরোধ করেন তারা। পরে পুলিশি বাধার মুখে সোয়া ১১টার দিকে তারা আবদুল্লাহপুর ও উত্তরার দিকে চলে আসে।

এ সময় রাজধানীর বিমানবন্দর সড়কে একটি বাসে অগ্নিসংযোগ করা হলে ঢাকার প্রবেশমুখ গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটিতে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে ভোগান্তিতে পড়ে লাখো মানুষ।

জানা গেছে, সোমবার সকাল থেকেই গুরুত্বপূর্ণ সড়কটির বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নিতে শুরু করেন শ্রমিকরা। দুপুর ১২টা থেকে আজমপুর, জসমিউদ্দিন ক্রসিং এবং বিমানন্দর সড়কে যান চলাচল একেবারেই বন্ধ হয়ে যায়। দুপুরের দিকে একটি বাসে শ্রমিকরা আগুন ধরিয়ে দেন।

এর আগে গতকাল (রোববার) উত্তরার বিভিন্ন গার্মেন্টসের শত শত শ্রমিক উত্তরার আজমপুর থেকে জসিমউদ্দিন ক্রসিং পর্যন্ত অবস্থান নিলে অচল হয়ে পড়ে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক।

প্রায় ছয় ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর কারখানার মালিক ও পুলিশের আশ্বাসে বিক্ষোভরত শ্রমিকরা দুপুর ২টায় রাস্তা থেকে সরে গেলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। তবে  শ্রমিকরা  রাস্তা থেকে সরে যাওয়ার আগে সোমবার ফের বিক্ষোভের ঘোষণা দিয়ে যায়।

পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আজ (সোমবার) সকালে গাজীপুরের মালেকেরবাড়ী এলাকায় তিনটি পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা কর্মবিরতি করে বিক্ষোভ করেছ। একপর্যায়ে আন্দোলনরত শ্রমিকরা বিভিন্ন পরিত্যাক্ত বস্ত ও টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে অবরোধ সৃষ্টি করে। ফলে ওই সড়কে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

খবর পেয়ে শিল্প পুলিশ, থানা পুলিশ ও হাইওয়ে পুলিশ শ্রমিকদের মহাসড়ক থেকে সরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করলে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পাঁচজন পুলিশসহ বেশ কয়েকজন শ্রমিক আহত হন। পরে পুলিশ কয়েক রাউন্ড টিয়ার সেল নিক্ষেপ ও লাঠিচার্জ করে শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এরপর  বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ফের যান চলাচল শুরু হয়।


Spread the love

এই নিউজ পোর্টালের কোনো লেখা কিংবা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি

আরও পড়ুন