Tuesday, September 24, 2019 1:38 am
Spread the love

নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে দুটি মসজিদে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনার তদন্তের অংশ হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার ট্যারেন্টের বাড়িসহ দুটি বাড়ি ঘেরাও করে তল্লাশি চালিয়েছে পুলিশ।

শুক্রবার ক্রাইস্টচার্চে জুমার নামাজের সময় ওই হামলা চালানো হয়।

সোমবার সকালে নিউ সাউথ ওয়েলসের কর্তৃপক্ষগুলো গ্রাফটনের নিকটবর্তী স্যান্ডি বিচ ও লরেন্সের দুটি বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছে। সন্দেহভাজন এই জঙ্গির বাড়ি সিডনির ৬০০ কিলোমিটার উত্তরে গ্রাফটন শহরে।

যে দুটি বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়েছে তার মধ্যে একটি ট্যারেন্টের বোনের বাড়ি বলে অস্ট্রেলীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ায় থাকা তার পরিবার তদন্তে সহযোগিতা করছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

নিউজিল্যান্ড হেরাল্ড জানিয়েছে, তারপর থেকে নিজের আইনজীবীকে বাদ দিয়েছে সে এবং ৫ এপ্রিল পরবর্তী হাজিরার দিন আদালতে নিজেই নিজের পক্ষ হয়ে কথা বলার পরিকল্পনা করেছে।

ব্রেন্টন ট্যারেন্টের বিরুদ্ধে শুধু নরহত্যার অভিযোগ এনে শনিবার তাকে আদালতে হাজির করা হয়।

ট্যারান্টের চাচা টেরি ফিটজেরাল্ড নাইন নিউজকে বলেছেন, নিহত ও আতহদের জন্য এবং তাদের পরিবারগুলোর জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি আমরা।

ভয়াবহ এ হামলার পর নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জাসিন্ডা অ’ডুর্ন একে দেশের ইতিহাসে ‘কালো দিন’ বলে বর্ণনা করেছেন। দেশের ‘অস্ত্র আইনে পরিবর্তন আনা হবে’বলেও জানিয়েছেন তিনি।

ট্যারেন্ট পাঁচটি আগ্নেয়াস্ত্রের মালিক এবং এসব আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্সও তার আছে। তার অতীত অপরাধের রেকর্ড নেই এবং সে নিউজিল্যান্ড বা অস্ট্রেলিয়ার নিরাপত্তা বিভাগগুলোর নজরদারিতেও ছিল না।

গত শুক্রবার নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে শুক্রবার জুমার নামাজের সময় দুটি মসজিদে বন্দুকধারীদের গুলিতে অন্তত ৫০ জন নিহত হয়েছেন।

আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন আরও ৪৮জন। নিহতদের মধ্যে চার বাংলাদেশিও রয়েছেন।

নিখোঁজ রয়েছেন আরও ৭ বাংলাদেশি। ওই মসজিদে নামাজ পড়তে যাওয়ার সময় পথচারীর খবরে ভাগ্যক্রমে হামলা থেকে প্রাণে বেঁচে যান বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। নামাজরত অবস্থায় মুসল্লিদের ওপর শেতাঙ্গ বন্দুকধারীর চালানো স্মরণকালের ইতিহাসে বর্বরোচিত এ হামলার ঘটনায় নিন্দার ঝড় বইছে বিশ্বজুড়ে।


Spread the love

এই নিউজ পোর্টালের কোনো লেখা কিংবা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি

আরও পড়ুন