Monday, September 23, 2019 9:15 pm
Spread the love

ড. শ্রী বীরেন শিকদার একজন বাংলাদেশী আইনজীবী এবং রাজনীতিবিদ।

প্রাথমিক জীবন ও শিক্ষা:

বীরেন শিকদারের জন্ম ১৯৪৯ সালের ১৬ অক্টোবর মাগুরা জেলার শালিখা উপজেলার সিংড়া গ্রামে।

পিতার নাম বিহারী লাল শিকদার এবং মাতা শ্রীমতি সরস্বতী শিকদার। পিতা পেশা একজন ব্যবসায়ী ছিলেন।

তিনি ঝিনাইদহ জেলার হাটবারবাজার হাইস্কুল হতে এসএসসি, সরকারি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ হতে এইচ এস সি ও যশোর মাইকেল মধুসূদন কলেজ থেকে গ্রাজুয়েশন ডিগ্রি গ্রহণ করেন।

পরবর্তীতে তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় হতে আইনশাস্ত্রে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।

১৯৭৪ সালে সংস্কৃত ও পালি বোর্ড, ঢাকা থেকে কাব্যতীর্থ ডিগ্রি অর্জন করেন।

রাজনৈতিক জীবন:
তিনি আইন পেশার পাশাপাশি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত।

ছাত্রজীবন থেকেই ড. শ্রী বীরেন শিকদার রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন।

তিনি ১৯৬৮-৬৯ সালে বৃহত্তর যশোর জেলার ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন।

১৯৬৯ সালের গণআন্দোলনে তিনি ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ, বৃহত্তর যশোর এর আহবায়ক ছিলেন।

১৯৭১ সালে তিনি মুজিব বাহিনীর সদস্য হিসেবে নিজ এলাকায় মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন।

তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মাগুরা জেলা শাখার সহ-সভাপতি

ড. শ্রী বীরেন শিকদার ১৯৮৫ সালে শালিখা উপজেলার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে এলাকায় বহু উন্নয়ন মূলক কর্মকাণ্ডে নেতৃত্ব দেন।

তিনি ১৯৯৬ সালের জুনে অনুষ্ঠিত ৭ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হিসেবে মাগুরা-২ আসন থেকে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

এ সময় তিনি বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

২০০৮ সালের ২৯ শে ডিসেম্বর নির্বাচনে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

নবম জাতীয় সংসদে তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি ও সরকারি প্রতিষ্ঠান কমিটি’র সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

সমাজ সেবা:
তিনি এলাকায় বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত।

তিনি আড়পাড়া কলেজ, বিহারীলাল শিকদার কলেজ, বেরইন পালিতা কলেজ, আমিনুর রহমান কলেজ, কাজী সালিমা হক মহিলা মহাবিদ্যালয় এবং বুনাগাতী কলেজের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি আড়পাড়া ডিগ্রি কলেজের প্রতিষ্ঠাতা।

তিনি তার নিজ গ্রাম শালিখার সিংড়ায় মায়ের নামে সরস্বতী শিকদার স্কুল এ্যান্ড কলেজ, পিতার নামে বিহারীলাল শিকদার ডিগ্রি কলেজ এবং আড়পাড়া ডিগ্রি মহাবিদ্যালয় মহম্মদপুর সদরে তার নিজ নামে শ্রী বীরেন শিকদার আদর্শ স্কুল এন্ড কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন।

তিনি RDA-তে দুইবার প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।

এছাড়া এলাকায় বহু রাস্তাঘাট, সেতু , কালভার্ট নির্মাণ, স্কুল ,কলেজ, মাদ্রাসার সংস্কার কাজে ব্যাপক ভুমিকা রাখেন ।

তিনি বাংলা ও ইংরেজী ভাষা লিখতে, পড়তে এবং বলতে পারেন।

ব্যক্তিগত জীবন

স্ত্রী শ্রীমতি শান্তিলতা শিকদার শিক্ষিতা এবং গৃহবধু।

এ দম্পতির দুই সন্তানের মধ্যে ছেলে অমিতাভ শিকদার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যবসা প্রশাসন ইনষ্টিটিউট হতে এমবিএ এবং মেয়ে বিউটি শিকদার স্নাতকোত্তর ডিগ্রি প্রাপ্ত।

বর্তমানে তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকুরিরত।

পুরস্কার ও সম্মাননা:

শিক্ষা ও সমাজ সেবায় বিশেষ অবদান রাখার কারণে ভারতের কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় তাকে বি আর আন্বেদকর পুরস্কারে ভূষিত করে।

সম্প্রতি মানবিক ও সামাজিক কল্যাণে অসামান্য অবদান রাখায় অল ইন্ডিয়া ভিক্ষু সংঘ কতৃক লর্ড বুদ্ধ ইন্টারন্যাশনাল পিস এ্যাওয়াড ২০১৫ এ ভূষিত হন।

স্পেনের মাদ্রিদে বারচেম ইন্টারন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন ও গণতন্ত্রের উপর ডক্টরেট(পিএইচডি)

সখ:
গান শোনা ও সাহত্যি চ”র্চা তাঁর সখ।

সফর :

ড. শ্রী বীরেন শিকদার জাপান, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ভারত, নেপাল, ভূটান, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, দক্ষিণ কোরিয়া, ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, সৌদি আরব, কাজাকাস্তান তুরস্ক, অষ্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও আমেরিকা সফর করেন এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে কম্বোডিয়া সফর করেন।

প্রতিমন্ত্রী:

তিনি ১৯৯৬ সালে ও ২০০৮ এবং ২০১৪ সালের জাতীয় সংসদের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।

২০১৪ সালের ১২ জানুয়ারি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত হন।

তার লক্ষ্য:
জনগনের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন তথা বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা এবং জননেত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার সংগ্রামে ধীরেন শিকদার আত্মনিবেধীত।

স”চরিত্রের অধিকারী হয়ে যোগ্য নাগরিকরূপে নিজেদের গড়ে তুলে দেশ সেবায় আত্মনিয়োগের জন্য তিনি নতুন প্রজন্মের ছেলেমেয়েদের উপদেশ দেন।

একজন বিশিষ্ট ভদ্রলোক ও সমাজনেতা হিসেবে দেশে বিদেশে বীরেন শিকদার বিশেষ ভাবে সমাদৃত ।


Spread the love

এই নিউজ পোর্টালের কোনো লেখা কিংবা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি

আরও পড়ুন